“পিরোজপুর মাসুদ সাঈদীর (এমপি)সৌজন্যে ঈদ পুনর্মিলনী ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত”

29


জাকির হোসেন, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এক অনন্য মানবিক ও সাংগঠনিক শিষ্টাচারের নজির স্থাপন করেছেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ দুই নেতা। পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা মাসুদ সাঈদীর সৌজন্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মেহমানদের জন্য নিজেদের নির্ধারিত আসন ছেড়ে দিয়ে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারি যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, তা বর্তমানে জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

(২২ মার্চ) রবিবার সন্ধ্যা ৭ টা
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে পিরোজপুরের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সম্মানে এই প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জামায়াত ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন যখন অতিথিদের বসার আসনের স্বল্পতা দেখা দেয়, তখন উপস্থিত সবাইকে অবাক করে দিয়ে জেলা জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারি নিজেদের আসন থেকে স্বেচ্ছায় উঠে দাঁড়ান এবং আগত অন্যান্য অতিথিদের বসার সুযোগ করে দেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে যেখানে পদের মর্যাদা আর মঞ্চের আসন নিয়ে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা চলে, সেখানে শীর্ষ পর্যায়ের দুই নেতার এমন বিনয় ও ত্যাগের ঘটনা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তারা। সাধারণ মানুষ মন্তব্য করছেন, প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় পদ-পদবিতে নয়, বরং এমন বিনয় ও ত্যাগের মধ্যেই নিহিত।

যদিও কোনো কোনো মহলে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত বা সমালোচনা দেখা গেছে, তবে নিরপেক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে স্রেফ ‘সৌজন্য’ নয়, বরং এক উচ্চতর রাজনৈতিক শিষ্টাচারের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন। পিরোজপুর জেলা জামায়াত আমীর ও সেক্রেটারির এই আচরণ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা।

Leave a Reply