খুলনার কয়রায়,জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়কের হুমকিতে লুটপাট ও ঘের দখল

41

আশিকুর রহমান, খুলনা প্রতিনিধি:

কয়রায় মহারাজপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মঠবাড়িয়া,গ্রাম পবনা নামক একটি স্থানে মাছের ঘের দখল মারপিট ভাঙচুর ও লুট পাটের অভিযোগ উঠেছে খুলনা জেলা বিএনপি সিনিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক
ও কয়রা ও পাইকগাছা ৬ আসনের এমপি পদপ্রার্থী আগ্রহী মমরেজুল ইসলাম ও খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান (রুনু) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে কয়রা সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাসুম ও কয়রা থানার মহারাজপুর ইউনিয়নের জেলা বিএনপির সদস্য আবু সাঈদ বিশ্বাস ও মোস্তাফিজুর রহমান সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী জেলার নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে।

কিছুদিন যাবত নানান বিষয়ে নানান ভাবে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় ঘের মালিক
ভুক্তভোগী মুস্তাফিজুর রহমান ও তার পিতা নুরুল ইসলামকে
মারপিট সহ ঘেরের বাসা ভাঙচুর করেন।এবং ঘের দখল করে নেয় এবং তাদের বলা হয় তারা যেন আর ওই ঘেরে না যায় গেলে তাদেরকে মেরে ফেলে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেছেন।৪ নং কয়রার ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল ও তার পিতা নুরুল ইসলাম।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে গেলে নাম না প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন হ্যাঁ ঘটনা সত্য আমাদের সামনে ঘেরের বাসা ভাঙচুর মারপিট করেন মাসুম ও সাঈদ বিশ্বাসের সন্ত্রাসী বাহিনী।
নাম না প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন আমি মারপিট ও ভাঙচুর লুটপাটের সময় ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম আমার সামনে ভুক্তভোগী মোস্তাফিজ রহমান হেলাল কে মারছেন। তারা বলেন আমাদের নাম বলবেন না বললে মাসুম বিল্লাহ সাঈদ বিশ্বাসের ও মুস্তাফিজ। নাম বললে আমাদের উপর অত্যাচার করতে পারে বলে জানান।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা বিএনপি’র সিনিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক ।মমরেজুল ইসলামের কাছে কয়েকবার মোবাইল দিলে মোবাইল রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনুর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে অভিযোগটি সত্যি কিনা যাচাই করার জন্য তাকে মোবাইলে কল দিলে আতাউর রহমান রনু বলেন আমি কিছুই জানিনা আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এ বেপারে অনুসন্ধানে। উঠে আসে মহারাজপুর ৩ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি গাজী ইউনুস বলেন বিএনপি’র প্রোগ্রাম আসলে আমাদের ১০০০০, হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হয় জমি যার হয় হোক বা যে হারি নিক এটা কোন বিষয়ই না ঘের আমাদের করতে দিতে হবে এটা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মমরেজুল ইসলামের নির্দেশে ঘটনা সত্যতা জানতে কয়রা থানা ওসি নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বিষয়টি অবগত হয়নি তবে আমরা পরে জানতে পারি একটি জিডি হয়েছে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে বিষয়টা পুলিশ তদন্তাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ মুস্তাফিজুর রহমান হেলাল বলেন ইতিমধ্যে আমার এই ঘেরের বাসাটি চার বার ভাঙচুর করা হয়েছে যখন থেকে জিলা বিএনপি’র এই নতুন কমিটি হয় যারা ১৭ বছর রাজপথে ছিল না তাদেরকে হঠাৎ করে কমিটি দিলে আমাদের মতো বিগত দিনের ত্যাগী নেতা কর্মীরা অন্যায় অত্যাচার জুলুমের শিকার ও বিপদগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান খুলনা যুবদলের সাবেক একজন সদস্য ছিলেন তিনি বলেন বিএনপি হয়ে বিএনপির পরিবারের ক্ষতি করছে বিষয়টি গ্রুপিংয়ের কারণে হয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। চলছে অনুসন্ধান ধারাবাহিক পর্ব ১

Leave a Reply