রুচিশীলতার অপর নাম চিলেকোঠার আড্ডা : সৌন্দর্য্যে বিমোহিত

31

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

সবুজে অপরূপে গড়া নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের অপর নাম চিলেকোঠা আড্ডা। সর্বত্রই চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। হরেক রকম সবুজ পাতায় মাঝে যেন উঁকি দিচ্ছে এটি। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও স্টেশনে রাস্তায় একপাশে চাদের উপর নির্মিত বিশাল ব্যতিক্রমী রেস্টুরেন্টের অবস্থান। 

সবুজের মিতালী, রোমাঞ্চ ও প্রশান্তি, এই তিনের অনবদ্য মেলবন্ধন চিলেকোঠা। কোলাহল আর জীবনের জটিলতা বা ক্লান্তি ভুলে নিঃশ্বাস নিতে নান্দনিক পরিবেশে সময় কাটানোর অনন্য স্পট । সবুজ গাছ গাছালিতে অপরুপে সাজানো। চারপাশের পরিবেশ আর মানুষের জীবনযাত্রা মুগ্ধ করছে প্রতিটি মূহুর্ত।

বিশুদ্ধ হাওয়া, বৈকালিক আর সন্ধ্যায় নান্দনিক সৌন্দর্য্যের খোঁজ মেলে ব্যতিক্রমী চিলেকোঠার আড্ডায়। সিঁড়ি বেয়ে ভেতরে ঢুকতেই নজর কাটবে কাঠের উপর হরেক রকমের কারুকার্য্য ও সারি সারি সবুজ গাছের রকমারি উৎসবে। প্রবেশ পথেই অভ্যর্থনা জানাতে চমৎকার ডিজাইনে আকাঁনো রেস্টুরেন্টের নাম। পুরো চাদই অপার সৌন্দর্য্য ভরা।  সন্ধ্যা নান্দনিক সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করে তুলে। দোলনা আর সেলফি জোন আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এ রেস্টুরেন্টে।

জানা যায়, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ঈদগাঁও জনপদে রুচিশীলতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে চিলেকোঠার আড্ডা। বৈকালিক পরিবেশে সুন্দর সময় কাটাতে শিক্ষার্থী, চাকরীজীবি,ফ্যামিলি ট্যুর,পরিবার-পরিজন সহ রুচিশীল মানুষদের ভীড় যেন লক্ষনীয়। বিখ্যাত কিন্তু বিরানী। সে সাথে সুস্বাদু মুখরোচক খাবারও পিছু ছাড়ছেনা। বিয়ে, জন্মদিনসহ নানান উৎসবের জন্য চমৎকার পরিবেশ সবুজে মিতালী গড়া প্রসিদ্ধ এই আড্ডা। খাবারের জনপ্রিয়তায় তারা একধাও এগিয়ে।

উদ্যোক্তা নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আনোয়ারুল ইসলাম জিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই আর্টস ও ডিজাইনের প্রতি আগ্রহ ছিল বেশি। সেই শৈল্পিক চিন্তাধারা থেকে ঈদগাঁওর মানুষের জন্য রুচিশীল রেস্টুরেন্টের যাত্রা। খাবার মূখ্য বিষয় নয়। যেখানে মানুষ আসবে, বসবে আর পরিবার পরিজন নিয়ে ভাল সময় কাটাবে। দীর্ঘদিন সময়কালে বেশ সাড়া দিচ্ছেন এখানকার নানা শ্রেনী পেশার মানুষ। স্বপ্ন আর প্রত্যাশা বাস্তবায়নের পথে।

Leave a Reply