এস এইচ রতন বাগেরহাট:-
রূপালী ইলিশসহ ৪৭৩ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে (১১ জুন) বুধবার দিন গত মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ আহরণে গেছে বাগেরহাটের ৩ হাজার জেলে। প্রায় ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও সাগরে যেতে ক্রস্ত-ব্যাস্ত উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোংলা এলাকার জেলেরা।
মুখে তাদের উজ্জল ন্বপ্নের হাসি। মাছ আহরণের সরঞ্জামসহ ফিশিং ট্রলার নিয়ে জড়ো হয়েছেন জেলেরা।
রূপালী ইলিশসহ ৪৭৩ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংর¶ণে গেল ১৫ এপ্রিল থেকে সাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার।এই নিষেধাজ্ঞা কালীন সাগর নির্ভরশীল জেলেরা বেকার হয়ে ঘরে বসে খেতে হয়, কাধে চাপে ঋণের বোঝা, সে ঋণ এবার শোধ হবে রূপালী ইলিশ ধরে এই স্বপ্নে বিভোর সকল জেলে।
বাগেরহাটের মৎস্য বিভাগ বলছে, বুধবার মধ্যরাতে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা শেষের খবরে স্বাস্ত ফিরেছে বাগেরহাটের সমুদ্রগামী জেলে পরিবারগুলোতে। জেলার প্রায় তিন হাজার জেলে বিগত দিনের লোকশান কাটিয়ে উঠবেন আশা করা হচ্ছে। আর দুদিন পর থেকেই বাগেরহাটের প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কেবি ফিসারি ঘাটসহ শারণখোলা ও মোংলার জেলে, পাইকার, আড়তদারের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠবে। তাই অধিক মাছের আশায় স্বপ্ন নিয়ে জেলেরা সাগরে মাছ শিকারে যাচ্ছেন।
বাগেরহাটের প্রধান ফিশারি ঘাটে দাড়িয়ে আব্দুল খালেক, সোবহান বেপারীসহ একাধিক জেলে জানান, প্রতিবছর সরকারের ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা পালন করি আমরা। এ বছর ভারতের সাথে সমন্ময় করে ৫৮ দিনে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। আমরা আইন মেনেই নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ শিকারে যাচ্ছি। অনেক আশা নিয়েই আজ বুধবার রাতেই সাগরে মাছ শিকারে যাবো। মাছ পেলে ধারদেনা পরিশোধ করবো।