সৈয়দ সময় ,নেত্রকোনা :
হতদরিদ্র ভিজিডি কার্ডধারীদের ২৪ বস্তা চাল দুর্বৃত্তদের ছিনতাইয়ের অপচেষ্টা হওয়ায়
এবং ইউপি.চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালানোয় এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে । ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় ৯ নং
খলিশাউড় ইউনিয়নে ।
হতদরিদ্র ভিজিডি কার্ডধারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে এর সত্যতা পাওয়া গেছে , কুচক্রী মহলের যোগসাজশে ৯ নং খলিশাউড় ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.মাসুদ মিয়া নামে চাল আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বানোয়াট ও মিথ্যা কথা অপবাদ ছড়ানোকে
ভূয়া খবর ও মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানান ট্যাগ অফিসারের প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ এবং ভিজিডি কার্ডধারী
লক্ষ্মীপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়া,খলাপাড়ার
কালাচাঁন , খুরশিদ ,ফিরোজ ও স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম সহ এলাকার শতাধিক লোকজন।
উপকারভোগী কালাচান ও শেফালী আক্তার বলেন , প্রতিমাসে জনপ্রতি ৩০ কেজির বস্তা ভিজিডি কার্ডে চাল পান এবার বকেয়াসহ
৫ মাসের ৫টি ৩০ কেজি চালের বস্তা পেয়েছেন । ভাড়া অটোরিকশায় কয়েকজনের চাল একসাথে বাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা
পথ রোধ করে ছিনতাইয়ের অপচেষ্টা করে
এবং মাসুদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও মিথ্যা কথা অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে
আমারা ভিজিডি কার্ডধারীরাই কার্ড প্রদর্শন করে টিপসহির দিয়ে চাল বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলাম ।
ছিনতাইকারী গৌরাকান্দার দুদু মিয়া , খোকন মিয়া, ফাজিলপুরের রব্বানী ও তাদের গং সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিচার চায়। চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া পূর্বধলা ইউএনও ও থানার ওসি কে জানালে
ঘটনাস্থলে পুলিশ চালের বস্তা উদ্ধার করে কার্ডধারীদের হাতে তুলে দেন। এ ব্যাপারে ট্যাগ অফিসার তোফায়েল আহমেদ বলেন,
চেয়ারম্যান এর নামে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা সঠিক নয় , মিথ্যা বানোয়াট। স্টক , মাস্টার রোল হিসেব ঠিক আছে ।
এই বিষয়ে অভিযুক্তকারী দুদু মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , সন্দেহজনক হওয়ায় ভুল বোঝাবুঝিতে এই ঘটনা ঘটেছে । খলিশাউড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া বলেন ,
ঘটনার পরবর্তীতে পূর্বধলা থানার পুলিশ এসে
চালের বস্তা উদ্ধার করে হতদরিদ্রের হাতে
তুলে দেন।