কুষ্টিয়ায় হাইব্রীড জাতের পিয়াঁজ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন মনিরুল

13

হৃদয় রায়হান কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রীড জাতের পিঁয়াঁজ চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন শিক্ষিত যুবক মনিরুল বিশ্বাস। বিঘাপ্রতি ১০০ মণের বেশী ফলন হওয়ায় ১৬ বিঘা জমিতে পিঁয়াঁজ চাষ করে এ বছরে আয় করেছেন ২১ লাখ টাকারও বেশী। তাঁর দেখাদেখি অন্য কৃষকরাও পিয়াঁজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন।

কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের কবুরহাট গ্রামের কিনাজ উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে শিক্ষিত যুবক মনিরুল বিশ্বস। চাকুরীর পিছনে না ছুটে নিজেই হয়েছেন সফল কৃষি উদ্যোক্তা। এবছর চাপড়া মাঠে সুপার কিং, লাল তীর কিং সহ বিভিন্ন হাইব্রীড জাতের পিয়াঁজ চাষ করে এলাকাবাসীকে তাক লাগিয়েছেন।

এ মৌসুমে ১৬ বিঘা জমিতে পিয়াঁজ চাষ করে ১৭০০ মণেরও বেশী পিয়াঁজ উৎপাদন করেছেন তিনি। যা থেকে আয় করেছেন ২১ লাখ টাকার অধিক। যা অন্য ফসল বা পেশায় সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুল বিশ্বাস।

মনিরুল বিশ্বাসের দেখাদেখি অন্য কৃষকরাও পিয়াঁজ চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তারাও পেয়েছেন সফলতা। মনিরুল কৃষি জমিতে কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করছেন অন্তত ২০জন দিনমজুর। তাদের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। মনিরুল বিশ্বাসের এমন সফলতায় তারাও খুশি। কুষ্টিয়ায় চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে পিঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছিল। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭০ হেক্টর জমিতে বেশি পিঁয়াজ চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগ তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুল সহ সকল কৃষকদের পিঁয়াজ চাষে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি সবধরণের সহায়তা দিয়ে থাকেন বলে জানিয়েছেন কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম। চাহিদা ও আমদানি নির্ভর মসলা জাতীয় অর্থকরী ফসল পিয়াঁজ চাষে কৃষকদের সার্বিক সহায়তা দিলে কমবে আমদানি নির্ভরতা। ফলে মিটবে দেশের পিঁয়াজের চাহিদাও। এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply