ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনে ফাটলআতঙ্কে ডাক্তার ও রোগীরা

21


মােঃ জাহিদ হোসেন, দিনাজপুর  প্রতিনিধি


দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ড ও ইমারজেন্সি রুমের বারান্দায় ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে, খুলে পড়ছে ছাদের পলেস্তার। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা  ও আতঙ্কে থাকছেন সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা।

১৯৬৫ সালে ৩১ শয্যা হাসপাতালে যাত্রা শুরু হয় পরে ২০২৩ সালে এই হাসপাতাল টি উন্নতি করন করে ৫০ শয্যা করা হয়। তবে এই পুরাতন ভবনটির দোতালায় পাশাপাশি নারী ও পুরুষ ওয়ার্ড স্থাপন করা হয়। এর আগেও এমন ফাটোল দেখা দিলে তা চুল শুঁড়কি দিয়ে মেরামত করা হয়। তবে এখন পুরুষ ওয়ার্ড সহ ভবনটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও পলেস্তার খসে পড়ছে। তাই অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে রোগী ও স্বজনদের।

সরজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি উপজেলার মানুষ সেবা গ্রহণ করে এই হাসপাতালতে।  হাসপাতাল ভবনের প্রথম তলার ছাদের বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। ওই স্থানগুলো থেকে পলেস্তারা ও সুরকি ভেঙে পড়ছে। অন্তর্বিভাগ ও বহির্বিভাগের রোগীরা ওই স্থানগুলো ঝুকি নিয়ে চলছেন। শুধু রোগীরই নন, এমন আতঙ্ক দেখা গেছে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও।

হাসপাতালে কর্মরত ডাঃ আহসান হাবিব বলেন, হাসপাতালের ভবন অনেক পুরাতন হওয়ার কারণে সাধারণ ওয়ার্ডের ছাদে দেখা দিয়েছে ফাটল ও খুলে পড়ছে কলেজ পলেস্তার যা রোগী বা আমাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে । এই বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি আশা করি খুব দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলার রক্তদান স্বেচ্ছাসেবী ফুয়াদ বলেন, আমরা প্রায় হাসপাতালে রক্ত দিতে আসি। হাসাপাতালে এসে অনেকটা ভয়ের মধ্যে থাকতে হয়। কখন জানি এই ছাদের উপরের ফাটল ধরা অংশ খুলে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে।


রোগীর স্বজন মনোয়ার হোসেন বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবণটির অনেক স্থানে ফাটল দেখা যাচ্ছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অতি দ্রুত এটি মেরামত করা প্রয়োজন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মেহেদী হাসান বলেন, হাসপাতালে কিছু জরাজীর্ণ অংশে পলেস্তার খুলে পড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি এবং সরেজমিনে গিয়ে কয়েকবার দেখেছি। এই ছাদ ধসে পড়ে আমাদের এক স্টাফ আহতের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আমরা সতর্কতার সাথে কাজ করছি। এর আগেও এই জায়গাগুলো সংস্কারের কাজ হয়েছে তবে তা নিম্নমানের হওয়ার কারণে বেশি দিন টিকে নাই। এই ফাটল স্থানগুলো দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে উদ্বোধন  কর্তৃপক্ষেকে অবহিত করেছি। 

Leave a Reply