মানুষের পাশে থাকা এক নাম সাংবাদিক সৈয়দ সময় নেত্রকোনা পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ডে নতুন প্রত্যাশার প্রতীক

106


বিশেষ প্রতিনিধি নেত্রকোনা :

সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং উন্নয়নের প্রতি অটুট অঙ্গীকার এই তিন শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে চলেছেন সাংবাদিক ও সমাজচিন্তক সৈয়দ সময়। নেত্রকোনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তার প্রার্থিতা ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করেছে নতুন আশার আলো।
শৈশব থেকেই মানবকল্যাণে নিবেদিত এই বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব নিজের কর্ম, চিন্তা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন এক ভিন্নধর্মী পরিচয়। কবিতা, ছোটগল্প, গান, মঞ্চনাটক কিংবা পত্রিকার কলাম সবখানেই তার স্বতন্ত্র উপস্থিতি সমাজকে ভাবিয়েছে, অনুপ্রাণিত করেছে।
তার পারিবারিক শেকড়ও দায়িত্ববোধে দৃঢ় বাবা গোলাম মোস্তফা ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ম্যানেজার, আর মা জরিপৌষ ঠাকুর একজন স্নেহময়ী গৃহিণী। শিক্ষাজীবনে নেত্রকোনা আঞ্জুমান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও নেত্রকোনা সরকারি কলেজ থেকে অর্জন করেছেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, যা তার চিন্তাধারাকে দিয়েছে সুসংহত ভিত্তি।
সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি এবং জার্নালিস্ট ভয়েস অফ বাংলাদেশ, নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করেছেন নিরলসভাবে।
এছাড়াও তিনি নেত্রকোনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ নজরুল সেনা ও দূর্বার গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য, যুব রেড ক্রিসেন্টের সাবেক কর্মী এবং জাতীয় তেল-গ্যাস-খনিজ ও বন্দর রক্ষা কমিটির নেত্রকোনা জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কিন্তু এসব পরিচয়ের বাইরেও সৈয়দ সময়কে আলাদা করে তোলে তার মানুষের জন্য কাজ করার আন্তরিকতা। তিনি বিশ্বাস করেন ,উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নয়, উন্নয়ন মানে মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন।
কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি যে অঙ্গীকারগুলো করেছেন, তা ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে
শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সহায়ক পাঠদান
তরুণদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে সহায়তা
পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
তার ভাষায়, “আমি শুধু দায়িত্ব পালনের জন্য নয়, মানুষের পাশে থাকার জন্য কাজ করতে চাই। আমার ওয়ার্ডকে একটি শিক্ষিত, সচেতন ও পরিবেশবান্ধব মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
নেত্রকোনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যেই তার এই আন্তরিক উদ্যোগ ও কর্মপ্রচেষ্টায় সাড়া দিতে শুরু করেছেন। তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ ভোটারদের মাঝে তৈরি হয়েছে এক নতুন আস্থার জায়গা।
এই নির্বাচনে সৈয়দ সময় শুধু একজন প্রার্থী নন তিনি এক সম্ভাবনার প্রতীক, এক স্বপ্নের নাম। যে স্বপ্নে আছে উন্নত ও মানবিক একটি সমাজ, যেখানে প্রতিটি মানুষ পাবে সমান গুরুত্ব ও সুযোগ।
এখন দেখার পালা এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ৯ নং ওয়ার্ডের মানুষ কতটা এগিয়ে আসে। তবে ইতোমধ্যেই স্পষ্ট, মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই প্রার্থী ভোটের মাঠেও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। দোয়া, সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করেছেন তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে।

Leave a Reply