
এস এইচ রতন,বাগেরহাট
বনদস্যুদের কাছে সুন্দর বন যেন হিরক রাজার দেশ, সুন্দরবনে জেলে অপহরণ ক্রমশঃ-ই বেড়ে ছলেছে।দিনের পর দিন বে-পরোয়া হয়ে উঠেছে বিভিন্ন বনদস্যু,র দল।এই গেল বুধবার রাতে নতুন করে আরো তিন জেলেকে অপহরণন করেছে করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা। জানা গেছে শরণখোলা রেঞ্জের শৌলা ও আড়–য়া গাং এলাকা থেকে বনদস্যুদের হাতে এই ৩ জেলে অপহৃত হয়।
অপহৃত ৩ জেলের মধ্যে দুই জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন,রায়হান(২২)ও সুমন (২৪) এদের বাড়ী বাগের হাটের শরণ খোলার শরণ খোলা গ্রামে। অপর দিকে,অপহরণের প্রায় তিন সপ্তাহ পর২৬ জনের ,মধ্যে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জেলে।
সুন্দরবনের শুটকি পল্লির ৬ মহাজনের মোট ২৬ জন জেলে অপহৃত এর মধ্যে ৪ মহাজনের ১৪ কে মুক্তিপনের বিনীময় ছেড়ে দিয়েছে। এখনো দুই মহাজনের ১২ জেলে জিম্মি রয়েছেন। এ দিকে ঢাক -ঢোল পিটিয়ে ব্যাপক উদ্যোগে কোস্টগার্ডে নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলে অভিযান শুরু করলেও শরণ খোলা রেঞ্জ এলাকায় এর কোনো ছিটে- ফোটও প্রভাব পড়েনি। যে কারণে শরণ খোলা রেঞ্জের বনাঞ্চলে এখন দস্যুদরা রাম রাজত্য কায়েম করেেছ।
সুন্দরবনের শুটকি জেলে পল্লী শেলার চরের মৎস্য ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন মিঠু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে এতথ্য নিশ্চিত করে আরো জানান, বনদস্যুদের হাতে অপহৃত প্রত্যেক জেলেকে মুক্ত করতে দস্যুদের ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে। গত ১২ ফেব্রæয়ারি রাতে দুর্ধর্ষ বনদস্যু করিম শরীফ বাহিন পূর্ব সুন্দরবনের শেলার চর শুঁটকি পল্লীতে হানা দিয়ে একটি ট্রলারসহ ৬ জেলেকে ও বনদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী ১৬ ফেব্রæয়ারি রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০টি ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছিল। এদেও মধ্যে মুক্তি পাওয়া ১৪ জেলে রয়েছে।
এদিকে শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী ফিরোজ হাওলাদার বাদী হয়ে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী প্রধান জাহাঙ্গীরকে প্রধান আসামী করে গতকাল শরণখোলা থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেছেন। ##