এসএম নুর ইসলাম
খুলনার রূপসা থানার ২ নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের 9 নং ওয়ার্ডের নন্দন পুর এলাকায় বিএনপি রোড নামে পরিচিত সোবানের মোড় হইতে জামান কাজীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা স্কুল কলেজ মাদ্রাসা সহ জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর জন্য চরম এক অভিশাপের নাম।
বিশেষ করে সুবহানের মোড় হইতে জলিলের বাড়ি হয়ে জামান কাজীর বাড়ি পর্যন্ত এবং জলিলের বাড়ি হয়ে বিশ্বরোড পর্যন্ত ও খান জাহান আলী রোড তথা আশরাফের গ্যারেজ হইতে কালাই এর দোকান পর্যন্ত এই রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। রাস্তার মাঝ থেকে ভাঙ্গা চুরা এমন অবস্থা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন এই ভাঙাচোরা রাস্তা ও ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করছেন। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ, কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য একটি ভ্যান চলাচলের মতো নূন্যতম অবস্থাও নেই এই রাস্তায়। এমনকি এলাকার কেউ মারা গেলে খাটিয়া নিয়ে যাওয়ার মতো ভালো জায়গা অবশিষ্ট নেই রাস্তা টিতে যেএতই ভাঙ্গাচুরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্ভোগের বিষয়ে বারবার জানানো হলেও টনক নড়েনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। এ ব্যাপারে ২ নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল বিশ্বাসকে বারবার অনুরোধ করার পরেও তিনি একবারের জন্যও এলাকাটি পরিদর্শন করেননি। বর্তমান মহিলা মেম্বার ও একবার ওখোঁজখবর নেন নি তাদের কাছে ধরনা দিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি বলে জানান ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
আশার প্রদীপ আজিজুল বারী হেলাল:
স্থানীয় জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায়, সব দিক থেকে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন এলাকার গণমানুষের নেতা আজিজুল বারী হেলালের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, “আমাদের এই দুঃখ দেখার মতো কেউ নেই। হেলাল ভাই যদি ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা সরকারি বরাদ্দের মাধ্যমে এই রাস্তা টি সংস্কার করে দিতেন, তবে আমরা এই অঞ্চলের হাজারো মানুষ তার কাছে চিরঋণী থাকতাম।”
দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সংস্কার করে নন্দনপুর বাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী। এবং সরে জমিনে আসার অনুরোধ করছেন। এ ব্যাপারে ২ নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল বিশ্বাসকে মোবাইল করলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।
এরপর এলাকার মহিলা মেম্বার শিরিন আক্তার কে মোবাইল দিলে তিনি বলেন আমরা প্রজেক্ট জমা দিয়েছিলাম কাজ এসেছিল আওয়ামী লীগের আমলে কিন্তু ইসহাক সরদার চেয়ারম্যান থাকাকালীন রাস্তাটি অন্যান্য নিয়ে যায় বলেন তিনি মহিলা মেম্বার। এলাকাবাসী বলেন যে উনি কখনোই আমাদের এই রাস্তায় আসেননি বা খোঁজখবর ও নেয়নি শুধুমাত্র ইলেকশনের সময় ভোট চাইতে আসতো সাধারণ জনগণ আরো বলেন ইসহাক সরদার নিজেই এই রোডে ঢুকে ভোট চাইতে আসে তখন বলেছিল এটা বিএনপি রোড এটা হবে না কখনোই যতদিন আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলে চলে যান ভয়ে কেউ আর কথা বলতে পারিনি কথা বললে মার খাওয়া লাগতো এখন সময় এসেছে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমাদের রোড ফিরে পেতে চাই এবং এই দুর্নীতিবাজ ভূমি দস্যু ইসহাক সরদারের বিচারের দাবি জানান এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে ২ নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসহাক সরদারের কাছে বারবার মোবাইল দিলে মোবাইল ধরেননি ।