সাতক্ষীরার “ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে” দইয়ের মধ্যে চ্যালা ও মাছি দেখার কেউ নেই

18

আল আমিন সরদার সাতক্ষীরাঃ

সাতক্ষীরার ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে কিছু আগে দইয়ের মধ্যে চ্যালা সমালোচনা ঝড়
আবার নোংরা পরিবেশে দই তৈরি অভিযোগ ও দইয়ের ভিতর মাছি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।, সাতক্ষীরা তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা বলফিল্ড সংলগ্ন “ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার” নামক দোকানে এক ক্রেতা দই ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত ঐ দই বাড়িতে নিয়ে খেতে বসে দইয়ের মধ্যে মাছি দেখতে পায়। মাছি দেখতে পেয়ে সবাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।

“পাটকেলঘাটা ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার থেকে দই ক্রয়কারী ভুক্তভোগীর নাম আলমগীর শেখ দইয়ের মধ্যে মাছি পাওয়ার বিষয়টি তিনি “সাংবাদিক দের সাথে অভিযোগ করেন

প্রসঙ্গত আলামগীর শেখ, জানান কিছুদিন আগে দইয়ের ভিতরে চ্যালা এখন আবার দুইয়ের ভিতর মাছি এটা আমাদের জন্য সবথেকে দুঃখজনক বিষয় দই আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় খাবার। টক ও মিষ্টি দুই ধরনের দইয়ের প্রচলন রয়েছে। অনেকে এটাকে দধি বা দই বলে থাকে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অনেকে টক দই ও মিষ্টি দই রাখেন। দধি বা দই হলো এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাক্টেরিয়া গাঁজন থেকে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়।

যা দুধের প্রোটিনের উপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও অতুলনীয় গন্ধ প্রদান করে থাকে। প্রায় ৪৫০০ বছর যাবত মানুষ দধি বা দই তৈরি করছে এবং মানুষ তা খেয়ে আসছে। এদিকে মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকা দইয়ের মধ্যে যদি মাছি পাওয়া যায় তা হলে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বেনা একথা অস্বীকার করার নয় তাছাড়া তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছেন প্রশাসনিক নাকের ডগায় থেকেও তারা যৌনভাবে নোংরা পরিবেশে মিষ্টি দই সহ বিভিন্ন কিছু তৈরি করছে এদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি

স্থান পাটকেলঘানটা ব্যবসায়ী জানান দইয়ে অনেক উপকার বিদ্যমান থাকলেও কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের সরলতা এবং বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতিনিয়ত ভেজাল দই বিক্রির পাশাপাশি নোংরা পরিবেশে দই তৈরি করছে। সাধারণত মাছি ও চ্যাল ময়লা, আবর্জনা যুক্ত স্থানে পাওয়া যায়।

এছাড়া মাছি ও চ্যালা নোংরা পরিবেশে বসবাস করে। মুলত মাছি চ্যালা দিনের বেলায় লুকায়িত অবস্থায় থাকে এবং রাতে চলা ফেরা করে। ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার নামীয় দোকানের দইয়ের মধ্যে চ্যালা পাওয়ার ঘটনায় চারিদিকে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল এবার সেই দোয়ের ভিতরে মাছি পাওয়ায় আবারো বিভিন্ন মহলের আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠেছেন

বিশেষজ্ঞদের মতে মাছি ও চ্যালা মুলত আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণী। এরা ময়লার স্তুপে থাকার পাশাপাশি পাথরের নিচেও বসবাস করে থাকে। সচেতন মহল সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের মতে দই প্রস্তুত কালীল সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন স্থানে যদি দই তৈরি করা হয় তা হলে দইয়ের মধ্যে মাছি ও চ্যালা প্রবেশ করার সুযোগ থাকেনা। দইয়ের মধ্যে মাছি ও চ্যালা প্রবেশ করা বলে দই তৈরির জায়গা খুবই নোংরা। দইয়ের মধ্যে চ্যালার অস্তিত্ব একমাত্র নোংরা পরিবেশ দায়ী বলে অনেকে মনে করেন।

এ বিষয় “ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার” এর পরিচালক শিবু মন্ডলের নাম্বারে বারবার ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply