‌সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ

নিরীহ মানুষের ধরে এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি জানাই সাতক্ষীরায় জেলার পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা ও তেলকুপিয়া গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাটা শ্রমিক ও এক মোটরসাইকেল চোরের অপবাদ পাটকেলঘাটা থানা থেকে এসআই কৃষ্ণ পদে এসআই আজিজ মাহবুব সহ আরো অনেক/৬/৭/২০২৪/ তারিখে রাত ৩:১০ মিনিট সময় ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদার পিতা গফফার সরদার গ্রাম জুজখোলা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে বাড়ির পাশের বেধড়ক মারেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা এর পরে রাতেই থানায় নিয়ে আবারো অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয় মিথ্যা স্বীকারোক্তি থানা হাজতে থাকা নাঈম সাংবাদিকদের বলেন আমাকে অনেক পিটিয়েছে এবং আমাকে দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সেটা ভিডিও ধারণ করেছেন আপনারা তো আমার যে কি নির্যাতন চালিয়েছেন তা তো দেখেননি বলে কাঁদতে থাকে। নাঈম আরে বলেন তাছাড়া আমি কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারি না। এই প্রশ্নের উত্তর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে ফোনটা কেটে দেন। অন্য নম্বর থেকে ওসির কাছে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টা দেখছি বলে ফোন কেটে দেন এরপরেই ৭/৭/২০২৪/দুপুরে মিন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেন নির্যাতনের পরেই তাদের কাছে মোটরসাইকেলের চুরি কোন সত্যতা না পাওয়াই। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যার কোন কাগজপাতি নাই সেটাকে চুরি দেখিয়ে মামলায় আসামি করেন ১৩ জন ও অজ্ঞতনাময় আরো তিনজন কিন্তু আমরা এলাকাবাসী যতটুকু জানি যাদেরকে চুরির অপবাদ দেয়া হয়েছে তার ভিতরে আমাদের জুসখুলা গ্রামের অনেক কৃষক খেটে খাওয়া মানুষদের নামও আছে আর তাছাড়া ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তারা নিজেই মোটরসাইকেল চালাতে পারে না তাছাড়া আমরা কখনো দেখিনি সে কোথাও চুরি করছে এলাকাবাসী আরো বলেন এলাকায় একদিক চোর আছে যাদের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ তাদেরকে পুলিশ কেন ধরছে না এই খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলার দেওয়ার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন আমাদের গ্রামের এই ইব্রাহিম ও নাঈম কারো শাকের পাতায় হাত দিয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং তারা দুইজন ভাটার শ্রমিক তারা কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা এবং কেমন করে মোটরসাইকেল চালাতে হয় তাদের জানা নাই তাদেরকে মিথ্যা ভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলা কারাগার পাঠিয়েছেন আমরা এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে নাঈম সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পরিবার জানান রাত ৩ টা হয় এসে এদের দুজনকে ধরে নিয়ে গেছে নিয়ে আমাদের স্কুল মাঠের পাশে ফেলে অমানবিক নির্যাতন করেন তাদেরকে কি মামলা জানতে চাইলে আমাদের কোন কথার উত্তর না দিয়ে আমাদের হুমকি দিয়ে চলে যায় নাঈমের পিতা গব্বর সর্দার জানান আমার ছেলে কখনো চুরি করি নাই সে একজন ভাটার শ্রমিক তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মামলা দিল পুলিশ আমরা এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ও সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিয়ে ফোনটি রিসিভ না করাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসন যদি এমন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে থাকে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।‌সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ নিরীহ মানুষের ধরে এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি জানাই সাতক্ষীরায় জেলার পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা ও তেলকুপিয়া গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাটা শ্রমিক ও এক মোটরসাইকেল চোরের অপবাদ পাটকেলঘাটা থানা থেকে এসআই কৃষ্ণ পদে এসআই আজিজ মাহবুব সহ আরো অনেক/৬/৭/২০২৪/ তারিখে রাত ৩:১০ মিনিট সময় ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদার পিতা গফফার সরদার গ্রাম জুজখোলা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে বাড়ির পাশের বেধড়ক মারেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা এর পরে রাতেই থানায় নিয়ে আবারো অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয় মিথ্যা স্বীকারোক্তি থানা হাজতে থাকা নাঈম সাংবাদিকদের বলেন আমাকে অনেক পিটিয়েছে এবং আমাকে দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সেটা ভিডিও ধারণ করেছেন আপনারা তো আমার যে কি নির্যাতন চালিয়েছেন তা তো দেখেননি বলে কাঁদতে থাকে। নাঈম আরে বলেন তাছাড়া আমি কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারি না। এই প্রশ্নের উত্তর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে ফোনটা কেটে দেন। অন্য নম্বর থেকে ওসির কাছে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টা দেখছি বলে ফোন কেটে দেন এরপরেই ৭/৭/২০২৪/দুপুরে মিন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেন নির্যাতনের পরেই তাদের কাছে মোটরসাইকেলের চুরি কোন সত্যতা না পাওয়াই। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যার কোন কাগজপাতি নাই সেটাকে চুরি দেখিয়ে মামলায় আসামি করেন ১৩ জন ও অজ্ঞতনাময় আরো তিনজন কিন্তু আমরা এলাকাবাসী যতটুকু জানি যাদেরকে চুরির অপবাদ দেয়া হয়েছে তার ভিতরে আমাদের জুসখুলা গ্রামের অনেক কৃষক খেটে খাওয়া মানুষদের নামও আছে আর তাছাড়া ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তারা নিজেই মোটরসাইকেল চালাতে পারে না তাছাড়া আমরা কখনো দেখিনি সে কোথাও চুরি করছে এলাকাবাসী আরো বলেন এলাকায় একদিক চোর আছে যাদের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ তাদেরকে পুলিশ কেন ধরছে না এই খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলার দেওয়ার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন আমাদের গ্রামের এই ইব্রাহিম ও নাঈম কারো শাকের পাতায় হাত দিয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং তারা দুইজন ভাটার শ্রমিক তারা কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা এবং কেমন করে মোটরসাইকেল চালাতে হয় তাদের জানা নাই তাদেরকে মিথ্যা ভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলা কারাগার পাঠিয়েছেন আমরা এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে নাঈম সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পরিবার জানান রাত ৩ টা হয় এসে এদের দুজনকে ধরে নিয়ে গেছে নিয়ে আমাদের স্কুল মাঠের পাশে ফেলে অমানবিক নির্যাতন করেন তাদেরকে কি মামলা জানতে চাইলে আমাদের কোন কথার উত্তর না দিয়ে আমাদের হুমকি দিয়ে চলে যায় নাঈমের পিতা গব্বর সর্দার জানান আমার ছেলে কখনো চুরি করি নাই সে একজন ভাটার শ্রমিক তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মামলা দিল পুলিশ আমরা এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ও সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিয়ে ফোনটি রিসিভ না করাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসন যদি এমন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে থাকে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

‌সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে

‌সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ নিরীহ মানুষের ধরে এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি জানাই সাতক্ষীরায় জেলার পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা ও তেলকুপিয়া গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাটা শ্রমিক ও এক মোটরসাইকেল চোরের অপবাদ পাটকেলঘাটা থানা থেকে এসআই কৃষ্ণ পদে এসআই আজিজ মাহবুব সহ আরো অনেক/৬/৭/২০২৪/ তারিখে রাত ৩:১০ মিনিট সময় ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদার পিতা গফফার সরদার গ্রাম জুজখোলা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে বাড়ির পাশের বেধড়ক মারেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা এর পরে রাতেই থানায় নিয়ে আবারো অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয় মিথ্যা স্বীকারোক্তি থানা হাজতে থাকা নাঈম সাংবাদিকদের বলেন আমাকে অনেক পিটিয়েছে এবং আমাকে দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সেটা ভিডিও ধারণ করেছেন আপনারা তো আমার যে কি নির্যাতন চালিয়েছেন তা তো দেখেননি বলে কাঁদতে থাকে। নাঈম আরে বলেন তাছাড়া আমি কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারি না। এই প্রশ্নের উত্তর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে ফোনটা কেটে দেন। অন্য নম্বর থেকে ওসির কাছে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টা দেখছি বলে ফোন কেটে দেন এরপরেই ৭/৭/২০২৪/দুপুরে মিন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেন নির্যাতনের পরেই তাদের কাছে মোটরসাইকেলের চুরি কোন সত্যতা না পাওয়াই। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যার কোন কাগজপাতি নাই সেটাকে চুরি দেখিয়ে মামলায় আসামি করেন ১৩ জন ও অজ্ঞতনাময় আরো তিনজন কিন্তু আমরা এলাকাবাসী যতটুকু জানি যাদেরকে চুরির অপবাদ দেয়া হয়েছে তার ভিতরে আমাদের জুসখুলা গ্রামের অনেক কৃষক খেটে খাওয়া মানুষদের নামও আছে আর তাছাড়া ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তারা নিজেই মোটরসাইকেল চালাতে পারে না তাছাড়া আমরা কখনো দেখিনি সে কোথাও চুরি করছে এলাকাবাসী আরো বলেন এলাকায় একদিক চোর আছে যাদের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ তাদেরকে পুলিশ কেন ধরছে না এই খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলার দেওয়ার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন আমাদের গ্রামের এই ইব্রাহিম ও নাঈম কারো শাকের পাতায় হাত দিয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং তারা দুইজন ভাটার শ্রমিক তারা কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা এবং কেমন করে মোটরসাইকেল চালাতে হয় তাদের জানা নাই তাদেরকে মিথ্যা ভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলা কারাগার পাঠিয়েছেন আমরা এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে নাঈম সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পরিবার জানান রাত ৩ টা হয় এসে এদের দুজনকে ধরে নিয়ে গেছে নিয়ে আমাদের স্কুল মাঠের পাশে ফেলে অমানবিক নির্যাতন করেন তাদেরকে কি মামলা জানতে চাইলে আমাদের কোন কথার উত্তর না দিয়ে আমাদের হুমকি দিয়ে চলে যায় নাঈমের পিতা গব্বর সর্দার জানান আমার ছেলে কখনো চুরি করি নাই সে একজন ভাটার শ্রমিক তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মামলা দিল পুলিশ আমরা এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ও সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিয়ে ফোনটি রিসিভ না করাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসন যদি এমন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে থাকে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।‌সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ নিরীহ মানুষের ধরে এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি জানাই সাতক্ষীরায় জেলার পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা ও তেলকুপিয়া গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাটা শ্রমিক ও এক মোটরসাইকেল চোরের অপবাদ পাটকেলঘাটা থানা থেকে এসআই কৃষ্ণ পদে এসআই আজিজ মাহবুব সহ আরো অনেক/৬/৭/২০২৪/ তারিখে রাত ৩:১০ মিনিট সময় ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদার পিতা গফফার সরদার গ্রাম জুজখোলা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে বাড়ির পাশের বেধড়ক মারেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা এর পরে রাতেই থানায় নিয়ে আবারো অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয় মিথ্যা স্বীকারোক্তি থানা হাজতে থাকা নাঈম সাংবাদিকদের বলেন আমাকে অনেক পিটিয়েছে এবং আমাকে দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সেটা ভিডিও ধারণ করেছেন আপনারা তো আমার যে কি নির্যাতন চালিয়েছেন তা তো দেখেননি বলে কাঁদতে থাকে। নাঈম আরে বলেন তাছাড়া আমি কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারি না। এই প্রশ্নের উত্তর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে ফোনটা কেটে দেন। অন্য নম্বর থেকে ওসির কাছে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টা দেখছি বলে ফোন কেটে দেন এরপরেই ৭/৭/২০২৪/দুপুরে মিন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেন নির্যাতনের পরেই তাদের কাছে মোটরসাইকেলের চুরি কোন সত্যতা না পাওয়াই। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যার কোন কাগজপাতি নাই সেটাকে চুরি দেখিয়ে মামলায় আসামি করেন ১৩ জন ও অজ্ঞতনাময় আরো তিনজন কিন্তু আমরা এলাকাবাসী যতটুকু জানি যাদেরকে চুরির অপবাদ দেয়া হয়েছে তার ভিতরে আমাদের জুসখুলা গ্রামের অনেক কৃষক খেটে খাওয়া মানুষদের নামও আছে আর তাছাড়া ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তারা নিজেই মোটরসাইকেল চালাতে পারে না তাছাড়া আমরা কখনো দেখিনি সে কোথাও চুরি করছে এলাকাবাসী আরো বলেন এলাকায় একদিক চোর আছে যাদের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ তাদেরকে পুলিশ কেন ধরছে না এই খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলার দেওয়ার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন আমাদের গ্রামের এই ইব্রাহিম ও নাঈম কারো শাকের পাতায় হাত দিয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং তারা দুইজন ভাটার শ্রমিক তারা কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা এবং কেমন করে মোটরসাইকেল চালাতে হয় তাদের জানা নাই তাদেরকে মিথ্যা ভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলা কারাগার পাঠিয়েছেন আমরা এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে নাঈম সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পরিবার জানান রাত ৩ টা হয় এসে এদের দুজনকে ধরে নিয়ে গেছে নিয়ে আমাদের স্কুল মাঠের পাশে ফেলে অমানবিক নির্যাতন করেন তাদেরকে কি মামলা জানতে চাইলে আমাদের কোন কথার উত্তর না দিয়ে আমাদের হুমকি দিয়ে চলে যায় নাঈমের পিতা গব্বর সর্দার জানান আমার ছেলে কখনো চুরি করি নাই সে একজন ভাটার শ্রমিক তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মামলা দিল পুলিশ আমরা এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ও সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিয়ে ফোনটি রিসিভ না করাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসন যদি এমন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে থাকে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ নিরীহ মানুষের ধরে এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি জানাই সাতক্ষীরায় জেলার পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা ও তেলকুপিয়া গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাটা শ্রমিক ও এক মোটরসাইকেল চোরের অপবাদ পাটকেলঘাটা থানা থেকে এসআই কৃষ্ণ পদে এসআই আজিজ মাহবুব সহ আরো অনেক/৬/৭/২০২৪/ তারিখে রাত ৩:১০ মিনিট সময় ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদার পিতা গফফার সরদার গ্রাম জুজখোলা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে বাড়ির পাশের বেধড়ক মারেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা এর পরে রাতেই থানায় নিয়ে আবারো অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয় মিথ্যা স্বীকারোক্তি থানা হাজতে থাকা নাঈম সাংবাদিকদের বলেন আমাকে অনেক পিটিয়েছে এবং আমাকে দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সেটা ভিডিও ধারণ করেছেন আপনারা তো আমার যে কি নির্যাতন চালিয়েছেন তা তো দেখেননি বলে কাঁদতে থাকে। নাঈম আরে বলেন তাছাড়া আমি কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারি না। এই প্রশ্নের উত্তর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে ফোনটা কেটে দেন। অন্য নম্বর থেকে ওসির কাছে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টা দেখছি বলে ফোন কেটে দেন এরপরেই ৭/৭/২০২৪/দুপুরে মিন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেন নির্যাতনের পরেই তাদের কাছে মোটরসাইকেলের চুরি কোন সত্যতা না পাওয়াই। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যার কোন কাগজপাতি নাই সেটাকে চুরি দেখিয়ে মামলায় আসামি করেন ১৩ জন ও অজ্ঞতনাময় আরো তিনজন কিন্তু আমরা এলাকাবাসী যতটুকু জানি যাদেরকে চুরির অপবাদ দেয়া হয়েছে তার ভিতরে আমাদের জুসখুলা গ্রামের অনেক কৃষক খেটে খাওয়া মানুষদের নামও আছে আর তাছাড়া ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তারা নিজেই মোটরসাইকেল চালাতে পারে না তাছাড়া আমরা কখনো দেখিনি সে কোথাও চুরি করছে এলাকাবাসী আরো বলেন এলাকায় একদিক চোর আছে যাদের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ তাদেরকে পুলিশ কেন ধরছে না এই খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলার দেওয়ার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন আমাদের গ্রামের এই ইব্রাহিম ও নাঈম কারো শাকের পাতায় হাত দিয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং তারা দুইজন ভাটার শ্রমিক তারা কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা এবং কেমন করে মোটরসাইকেল চালাতে হয় তাদের জানা নাই তাদেরকে মিথ্যা ভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলা কারাগার পাঠিয়েছেন আমরা এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে নাঈম সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পরিবার জানান রাত ৩ টা হয় এসে এদের দুজনকে ধরে নিয়ে গেছে নিয়ে আমাদের স্কুল মাঠের পাশে ফেলে অমানবিক নির্যাতন করেন তাদেরকে কি মামলা জানতে চাইলে আমাদের কোন কথার উত্তর না দিয়ে আমাদের হুমকি দিয়ে চলে যায় নাঈমের পিতা গব্বর সর্দার জানান আমার ছেলে কখনো চুরি করি নাই সে একজন ভাটার শ্রমিক তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মামলা দিল পুলিশ আমরা এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ও সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিয়ে ফোনটি রিসিভ না করাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসন যদি এমন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে থাকে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।‌সাতক্ষীরা জেলা পাটকেলঘাটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ নিরীহ মানুষের ধরে এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠেছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি জানাই সাতক্ষীরায় জেলার পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা ও তেলকুপিয়া গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাটা শ্রমিক ও এক মোটরসাইকেল চোরের অপবাদ পাটকেলঘাটা থানা থেকে এসআই কৃষ্ণ পদে এসআই আজিজ মাহবুব সহ আরো অনেক/৬/৭/২০২৪/ তারিখে রাত ৩:১০ মিনিট সময় ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদার পিতা গফফার সরদার গ্রাম জুজখোলা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে বাড়ির পাশের বেধড়ক মারেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা এর পরে রাতেই থানায় নিয়ে আবারো অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয় মিথ্যা স্বীকারোক্তি থানা হাজতে থাকা নাঈম সাংবাদিকদের বলেন আমাকে অনেক পিটিয়েছে এবং আমাকে দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সেটা ভিডিও ধারণ করেছেন আপনারা তো আমার যে কি নির্যাতন চালিয়েছেন তা তো দেখেননি বলে কাঁদতে থাকে। নাঈম আরে বলেন তাছাড়া আমি কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারি না। এই প্রশ্নের উত্তর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে ফোনটা কেটে দেন। অন্য নম্বর থেকে ওসির কাছে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টা দেখছি বলে ফোন কেটে দেন এরপরেই ৭/৭/২০২৪/দুপুরে মিন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেন নির্যাতনের পরেই তাদের কাছে মোটরসাইকেলের চুরি কোন সত্যতা না পাওয়াই। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যার কোন কাগজপাতি নাই সেটাকে চুরি দেখিয়ে মামলায় আসামি করেন ১৩ জন ও অজ্ঞতনাময় আরো তিনজন কিন্তু আমরা এলাকাবাসী যতটুকু জানি যাদেরকে চুরির অপবাদ দেয়া হয়েছে তার ভিতরে আমাদের জুসখুলা গ্রামের অনেক কৃষক খেটে খাওয়া মানুষদের নামও আছে আর তাছাড়া ইব্রাহিম সরদার ও নাঈম সরদারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তারা নিজেই মোটরসাইকেল চালাতে পারে না তাছাড়া আমরা কখনো দেখিনি সে কোথাও চুরি করছে এলাকাবাসী আরো বলেন এলাকায় একদিক চোর আছে যাদের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ তাদেরকে পুলিশ কেন ধরছে না এই খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষকে একের পর এক মিথ্যা মামলার দেওয়ার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার জুসখোলা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন আমাদের গ্রামের এই ইব্রাহিম ও নাঈম কারো শাকের পাতায় হাত দিয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং তারা দুইজন ভাটার শ্রমিক তারা কখনো মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা এবং কেমন করে মোটরসাইকেল চালাতে হয় তাদের জানা নাই তাদেরকে মিথ্যা ভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলা কারাগার পাঠিয়েছেন আমরা এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে নাঈম সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পরিবার জানান রাত ৩ টা হয় এসে এদের দুজনকে ধরে নিয়ে গেছে নিয়ে আমাদের স্কুল মাঠের পাশে ফেলে অমানবিক নির্যাতন করেন তাদেরকে কি মামলা জানতে চাইলে আমাদের কোন কথার উত্তর না দিয়ে আমাদের হুমকি দিয়ে চলে যায় নাঈমের পিতা গব্বর সর্দার জানান আমার ছেলে কখনো চুরি করি নাই সে একজন ভাটার শ্রমিক তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মামলা দিল পুলিশ আমরা এই মিথ্যা মামলার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কাছে জানতে চাইলে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ও সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিয়ে ফোনটি রিসিভ না করাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসন যদি এমন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে থাকে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Leave a Reply