দুমকীর নির্বাচনে এনপির প্রভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রবাহিত নির্বাচন নিয়ে প্রার্থী সমর্থকদের শংঙ্কা

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

আগামী ০৯ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারছেনা স্থানীয় প্রশাসন। এ নিয়ে প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সুষ্ঠু অবাদ নির্বাচন নিয়ে শংঙ্কা রয়েছে বলে জানাগেছে। একাধিক প্রার্থী সমর্থকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, সংসদ সদস্য রুহুল আমিন হাওলাদার (এমপি) সরাসরি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ডক্টর হারুন অর রশীদের পক্ষ নেয়ায় এমন আশংকা করছেন। এছাড়াও সংসদ সদস্যের সাথে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কালাম মৃধা ও সাধারন সম্পাদক সেলিম আকন মোটর সাইকেল প্রতীকের পক্ষে সক্রিয় অংশগ্রহন এবং তাদের প্রার্থীকে ভোট না দিলে উপজেলাবাসীর বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়ার হুমকিতে জনমনে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। এমপির উপস্থিতিতে এমন ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কালাম মৃধা। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী ১ ভোট পেলেই তারা চেয়ারম্যান হবে।

এনিয়ে কাপপ্রিজ মার্কা প্রতীক এর কাওসার আমিন হাওলাদার বলেন, মোটরসাইকেল মার্কার হারুন অর রশিদ হাওলাদার, (সংসদ সদস্য ১১১) এর এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপির ভাগ্নে তাকে গাড়ি, জনবল, অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছেন। একের পর এক হমালর শিকার কাপ-প্রিচ মার্কার প্রার্থী ও কর্মীরা। এমনকি মেরে ফেলার হুমকি ধামকি, নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র দখল করে নেবে ১ ভোট পেলেও চেয়ারম্যান হবে বরাদ্দ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে জনমনে ভয়ভীতির সৃষ্টি করছে। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন আমি আমার জীবন নিয়ে শংঙ্কায় আছি। যদি আমার মৃত্যু হয় তবে তার দায় ভার হারুন অর রশিদ হাওলাদারকে নিতে হবে। নির্বাচনে এসব আচরনবিধি লঙ্ঘন করা নিয়ে একাধিক বার রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ, থানায় এযাহার করেছি ।অতিব দুঃখের বিষয় স্থানীয় প্রশাসন, রিটার্নিং কর্মকর্তা কারো কাছে কোনো সহযোগিতা পাইনি। এমপির প্রভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রবাহিত হচ্ছে এতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তার নিরপেক্ষতার কোন ভুমিকা নেই আমাদের উপর হামলা আমাদের হুমকি আমাদের কর্মীই আটক।

এছাড়াও অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সমর্থকদের সাথেও কথা বলে জানগেছে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় পক্ষবাদীত্ব নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

অথচ ঘুর্ণিঝড় রিমেলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণের নামে সহায়তা প্রদান করে চলেছেন সংসদ সদস্যের সমর্থনপুষ্ট হারুন হাওলাদার। শুধু তাই নয়, ত্রাণের বিনিময়ে ভোটের ওয়াদা নেয়ার অভিযোগ-ও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।উপজেলার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সরকারি ভবনে থেকে, এমপির গাড়ি নিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছে। এসব বিষয় আচারবিধি লঙ্ঘন কিনা তা দেখেও দেখছেনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এমন প্রেক্ষাপটে আসন্ন ৯ জুনের নির্বাচনে প্রশাসন কতোটা প্রভাবমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ ভুমিকা নিয়ে কাজ করতে পারবেন বা করবেন সেই আশংকা প্রার্থী সমর্থক ও সাধারন ভোটারদের।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা যাদব সরকার মুঠোফোন এ প্রশ্নের কোনো সদত্তর না দিয়েই ফোন রেখে দেন।

Leave a Reply