টঙ্গীতে সুদের অর্থ পরিশোধ করতে না পেরে আত্মাহত্যা,তবুও রেহাই মিলছে না পরিবারের

স্টাফ রিপোর্টার।

গাজীপুরের টঙ্গীর ৫৫ নং ওয়ার্ড নিশাত বস্তি এলাকায় সুদের অর্থ পরিশোধ করতে না পেরে আত্মাহত্যা,তবুও রেহাই মিলছে না ভুক্তভোগী পরিবারের,এমন কি বাড়ি ছাড়া করার চেষ্টা,এমন অভিযোগ উঠেছে সুদ কারবারি কিরন ওরফে সুদি ভাল্লুক নামের এক সুদ ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে।

ঐ সুদ কারবারির বাড়ি নরসিংদী ডাঙ্গা বাজার এলাকায় হলেও টঙ্গীর কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তির ছত্রছায়ায় টঙ্গী এসে চড়া সুদের ব্যবসা করে মানুষকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে কিরণ নামের ঐ সুদ ব্যাবসায়ী।

ব্যাংক চেক এমনকি সাদা স্টাম্পে সই নিয়ে ইচ্ছে মতো টাকার অংক বসিয়ে সাধারণ মানুষকে করে হয়রানী,এমন অভিযোগ করেন টঙ্গীর ৫৫ নং ওয়ার্ড নিশাত বস্তি এলাকার বেশকিছু ভুক্তভোগী।অনুসন্ধানে আরও জানা যায় –
কিছুদিন আগে মনির নামের এক ব্যাক্তি গলায় ফাশ লাগিয়ে আত্মাহত্যা করে সুধ কারবারী কিরনের হুমকি ও অস্নিল ব্যাবহার সইতে না পেরে। আত্মহত্যাকারী মনিরের স্ত্রী জানান আমার স্বামী সুদি কিরনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়েছে এটা যানতাম,এবং প্রতিমাসে লাভের টাকা নিয়ে যেতো কিরন।

হঠাৎ করে লাভের টাকা পরিশোধ করতে সমস্যা হয়ে যায়, আর সেই সময় নরসিংদীর সুদি কিরনে কৌশলে ২ লাখ টাকাকে ৪ লাখ দাবি করে বসে,আমার স্বামীকে অস্নীল ভাষায় গালাগালি করে এবং বলে তাড়াতাড়ি ৪ লাখ টাকা দিবি না হলে কিডনি বিক্রি করে টাকা নিবো,আমার স্বামী ৪ লাখ টাকার কথা শুনে পাগলের মতো হয়ে যায় বলে ২ লাখ টাকা ৪ লাখ হয় কিভাবে।

সুদ কারবারি কিরন তখন বলে ৪ লাখ স্টামে উল্লেখ আছে বিনিময়ে ৮ রুম লিখে দিয়েছো,এই এলাকার যারা বিচার করে তারা আমার লোক,তাদের ডেকে তোদের বের করে দিয়ে ঘরে তালা দিবো।

এরপরেই আমার স্বামী মানসিক দূর্বল হয়ে পরে
খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দেয় কথা কম বলে নিশ্চুপ হয়ে যায় হঠাৎ একদিন গলায় ফাশ লাগিয়ে আমার স্বামী আত্মাহত্যা করে।
এখন আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।কিরনের হাত থেকে বাঁচতে প্রশাসনের সহযোগিতা পেতে টঙ্গী পশ্চিম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সেকান্দর নামের এক ভুক্তভোগী জানান কিরণ নামের ঐ সুদ কারবারির কাজ থেকে ২০১৭ সালে ঘর মেরামতের জন্য ৮ লাখ নেই, চক্রবর্তী লাভসহ প্রায় ৩০ লক্ষ পরিশোধ করার পরেও সে এখন আরও ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে,বর্তমান প্রভাবশালী কয়েকজন লোকের মাধ্যমে আমার বাড়ি দখলের চক্রান্ত করে যাচ্ছে। এবং না না রকম হুমকি দিয়ে যাচ্ছে,আমি এবিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে সুদ ব্যবসায়ী কিরনের সাথে মুঠোফোনের কথা হলে তিমি বলেন আমি মানুষের ঘর বাড়ি বন্ধ রাখি, যখন দলিল করি তখন আমার সাথে আমার আত্মীয় বাচ্চু মিয়া উপস্থিত ছিলেন এমনকি তিনি সকল বিষয়ে জানেন । কিরন মিয়া তিনি সকল বিষয়কে অস্বীকার করেন। এক পর্যায়ে তিনি ১ লাখ টাকায় ১৪ হাজার টা সুদ নেয় তা মুঠো ফোনের স্বীকার করেন।

টঙ্গী পশ্চিম থানা অফিসার ইনচার্জ সাখাওয়াত হোসেন বলেন – থানায় দুটি অভিযোগ হয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা ।

Leave a Reply