চার দিনের মাথায় আবারও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, কসবা আ্যক্র প্পালিস মলে তৃতীয় ও চতুর্থ তলে

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা

আজ ১৪ই জুন শুক্রবার, দুপুর ১২ টা নাগাদ কসবার আ্যক্র পালিশ মলে আগুন লাগে, হঠাৎ মলের তিনতলায় ধোঁয়া দেখে অনেকেই দৌড়াদৌড়ি শুরু করে, মলের ভেতর ধোঁয়ায় ভর্তি হয়ে যায়, এলাকা অন্ধকার,যারা ভেতরে ছিলেন তাদের দম নিতে কষ্ট হয়। কোনভাবে তাহাদেরকে নিচে নামানো হয়,

খবর পেয়ে প্রথমে দমকলের ছটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ,কিন্তু আগুন ততক্ষণে চারতলায় উঠে যায়, দমকল এবং দুর্জয় মোকাবিলা কোনভাবে জানালার কাঁচ ভেঙে যথাসাধ্য চেষ্টা করে আগুন নেভানোর,

কিছুক্ষণ বাদে আরো বেশ কয়েকটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়, ১৫ টি দমকলের ইঞ্জিন মিলে, প্রায় দু’ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন আয়ত্তে আনে, আগুনের ধোঁয়ায় বেশ কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা যায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস, তিনি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ আধিকারিকেরা,,

যে সকল দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ করছিলেন, তারা অক্সিজেন ও মুখে মাস্ক পড়তে বাধ্য হয়। কারণ এতটাই ধোঁয়ার তীব্রতা ছিল, এমনকি উপরে কুড়ুল শাবল নিয়ে উঠতে হয় ,জানালার কাঁচ ভাঙতে, সবরকমের চেষ্টায় আগুন আয়তে আসে।

যে সকল কর্মীরা সকালে ডিউটিতে গিয়েছিলেন, তারা জানান প্রথমে তিনতলায় বইয়ের শোরুমে আগুন লাগে। সেখান থেকেই উপরে ফুড কোর্ট, থেকে শুরু করে অন্যান্য জায়গায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে, কোনভাবে দমকলের অফিসারদের প্রচেষ্টায় নিচে নামতে পেরেছি, ধোঁয়ার তীব্রতা এতটাই ছিল যে আমরা কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না, তবে কর্মীদের অনুমান শর্ট সার্টিফিকেটের ফলে আগুন লেগেছে। তবে কিভাবে বই এর শোরুমে আগুন লাগল সঠিক কিছু জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ আধিকাররা উপস্থিত থেকে সকলকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছেন। আরো অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী শহর কলকাতা।

Leave a Reply