গফরগাঁও মাওনা রাস্তার অধিগ্রহন জমির টাকা হরিলুট ভূ-মালিকরাহতাশায় সরকারের টাকা সরকারের বিপক্ষে কাজ করছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

গফরগাঁও মাওনা রাস্তার অধিগ্রহন জমির টাকা সরকারের বিপক্ষে কাজ করছে। এক শ্রেণীর দালাল চক্র, ভূমি অধিগ্রহন এল এ শাখার অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহিত আতাত করে অধিগ্রহণ করার সংবাদ জেনে আগে থেকেই অধিগ্রহন কৃত জমির সহজ, সরল ভূ মালিক ও এক শ্রেণীর অর্থলোভী ভূ-মালীকদেরকে দ্বিগুন, তিনগুন টাকার বিল বানিয়ে টাকা উত্তোলন করে দিবে বলে খোলা স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা দলিল করে নেয়।

অতপর অধিগ্রহন জমির রাস্তার দুপাশে রাতারাতি দালাল চক্রটি পুরাতন বাশের খুটি নিম্ন মানের খোয়া, হালকা সিমেন্ট, রডের পরিবর্তে বাশের ফালা, পুরাতন টিন দিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা বানিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে এবং জমির শ্রেণী পরিবর্তন অধিগ্রহন জমির লাইনে পরে নাই এমন অসংখ্য স্থাপনা শূন্য জায়গায় স্থাপনা দেখিয়ে ভূয়া বিলের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বাগিয়ে নিয়েছে সরকারের কোটি কোটি টাকা।

দালাল চক্রটি এসব ভূয়া বিলের চেক বানানোর জন্য এল, এ অফিসের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে আগাম অর্থ প্রদান করেন। আর এ অর্থের জন্য দুই সুদখোর মহাজনকে যুক্ত করা হয় দালালদের সাথে। এ সকল শোধখোর মহাজনদের সুধের টাকা লেন দেন করার ক্ষেত্রে ছিলনা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন অনুমোদন। আর এসব ব্যাপক অনিয়ম ঘুষ, দুর্নীতি, জাল জালিয়াতির সাথে যুক্ত দালালরা হচ্ছে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার টেংরা গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র আখতারুল আলম মাষ্টার, গাজীপুর সদরের বাসীন্দা রহিমদ্দিনের পুত্র ফেরদৌস আলম, শ্রীপুর থানার টেংড়া গ্রামের শরিফ উদ্দিন মৃধার পুত্র মোসলেম উদ্দিন মৃধা, একই থানার মুলাইদ গ্রামের জয়নাল আবেদিনের পুত্র আবুল কালামসহ ১৫/২০ জন দালাল বর্তমানে ময়মনসিংহ ভূমি অধিগ্রহন এল, এ শাকার অফিস নিয়ন্ত্রন করছে জানা যায়। এদের মধ্যে কয়েকজন মহিলা দালালও রয়েছে।

উল্লেখ্য গফরগাঁও মাওনা রাস্তার প্রায় ৬ শাতধিক মানুষের জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। প্রতিদিন কয়েকশত লোক তাদের টাকার চেকের জন্য এল, এ অফিসে এসে ভিড় জমায়। এ অফিসে ১৭ জন সার্ভেয়ার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৪ জন সার্ভেয়ার কাজ করছে। সার্ভেয়ার সংকট থাকার কারনেই ঘুষ, দুর্নীতির রমরমা ব্যবসা চলছে এই অফিসে। সম্প্রতি পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের তললী মৌজার অসলী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য বির্তকীত আওয়ামীলীগ নেতা আতাউল ইসলাম ভূয়া পল্ট্রি খামার দেখিয়ে দালাল ফৌরদোস আলম, আখতারুল আলম মাষ্টার, ৬ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা গাজীপুর উপজেলার শ্রীপুর থানার বরমী বাজারে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক থেকে ভূ-মালিক হাদিউল ইসলাম ও দুই দালালের নামে যৌথ চেকে উত্তোলন করে। তার মধ্যে ২ কোটি টাকা দুই দালাল নিয়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে সম্প্রতি ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বদেশ সংবাদ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর এক অদৃশ্য কর্তা ব্যক্তির পরামর্শে রাতারাতি ভূয়া পল্ট্রি খামারকে নতুন করে নির্মান করার কাজ ইতি মধ্যেই সম্পন্ন করেছে।

কালো টাকা সাদা করার জন্য। ইতিপূর্বে এই ভূয়া পল্ট্রি খামারসহ বেশ কয়েকটি খামার স্থাপনা ও ভূয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকা থেকে প্রকাশিত একাধীক পত্রিকায় খবর ছাপা হয়েছিল। বিন্তু মোটা অংকের টাকার ভোভে এল, এ শাখার এক শ্রেণীর অসুধু কর্মকর্তা, কর্মচারীরা বিষয়টি আমলে নেয়নি। জানাযায় এইসব অনিয়ম, দুর্নীতির সাথে যুক্ত ছিল সম্প্রতী বদলী হওয়া ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুল হক, সার্ভেয়ার হাবিবুর রহমান, চেইনম্যান শাহিন, ইউনুসকে ইতিমধ্যে বদলী করা হয়েছে বলে জানাযায়। বর্তমানে এল,এ অফিসে যুক্ত দালালরা সবাই বিগত জোট সরকার আমলের থানা ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী। তাদের হাত এত শক্তিশালী যা কখনো ভাবা যায়নি। এদের সাথে যুক্ত রয়েছে অবৈধ অস্ত্র ধারী, পেশাদার খুনী, রাজনৈতীক ক্যাডার। এরা যখন যা খুশী তাই করতে পারে নিমেষের মধ্যে। এমনটাই জানালেন নাম না প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষতিগ্রস্ত ভূমালীকরা। এসব দালালরা গাজীপুর সদর, শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বসবাস করে।

জানাযায়, দালালরা ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন অভিজ্যাত হোটেলে এল.এ অফিসের কয়েকজন সার্ভেয়ার, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে আতাত করে ভূয়া বিলের মাধ্যমে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সরকারের বিপক্ষে একাধিক সংগঠনের পিছনে এসব টাকা খরচ করছে বলে জানাযায়। এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রয়োজন।

Leave a Reply